4thPillar


তাপদাহে তপ্ত দেশ, ভোট দেবেন কীভাবে?

কুশল সিংহরায়May 3, 2024
তাপদাহে তপ্ত দেশ, ভোট দেবেন কীভাবে?

কদিন আগেই খবরের কাগজে বেরিয়েছিল ছবিটা।

একটা ছোট পুকুর। তার এককোণে, সামান্য একটু জলে সবুজ শ্যাওলা পড়ে আছে। পুকুরের বাকি অংশটা ফুটিফাটা। তীব্র রোদ আর গরম বাতাস জল শুষে মাটিকেও রেহাই দেয়নি।

কদিন আগে আর একটা ছবি টেলিভিশনে দেখাচ্ছিল হইহই করে।

কেন্দ্রের শাসক দলের এক প্রার্থী। গরমে প্রচারে বেরিয়ে তিনি গাছ লাগাচ্ছেন। সময়টা বর্ষা নয়, চারা লাগানোর অনুকূল অবস্থা নেই। শুকনো চৌচির মাটি থেকে চারা কি বাঁচার রসদ পাবে!

এমন সব 'আয়রনির' সাক্ষী হতে হতে, কখন যে বিশ্ব উষ্ণায়নের খাপে এই বঙ্গ ঢুকে পড়েছে, তার হদিশ পাওয়া যায়নি। কংক্রিটের ইমারতের পেটে ঢুকে যাওয়া শহর গত মঙ্গলবার যখন দেখেছে, তাপমাত্রা 43 ডিগ্রি, তখন টনক নড়েছে। 

70 বছরে মধ্যে এটাই কলকাতার উষ্ণতম এপ্রিল। সেদিন কলাইকুণ্ডায় ছিল 47 ডিগ্রি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 2080 সাল নাগাদ শহরের তাপমাত্রা প্রায় 50 ডিগ্রিতে পৌঁছতে পারে।

ফলে এতদিন যা ছিল ঠান্ডা ঘরে সেমিনারের বিষয়, তার উত্তাপ পৌঁছে গিয়েছে পর্ণকুটির থেকে বিলাসবহুল আবাসনে। এবারের তাপপ্রবাহ বুঝিয়ে দিয়েছে, বিপদ আর শিয়রে নেই, একেবারে ঘরে এসে পড়েছে। নিশ্চিন্তে বসে থাকার সময় আর নেই।

সময় তো রাজনীতিকদেরও নেই। ভোটের দুদফা শেষ। এখনও পাঁচ দফা বাকি। গনগনে রোদে প্রার্থীরা রোড শো করছেন। নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট নষ্ট করবেন না। নিজের ভোট নিজে দিন। আর ডাক্তাররা বলছেন, সকাল দশটার পর বাইরে বেরোবেন না। নুন-চিনি, ওআরএস। তাহলে ভোটের লাইনে কে দাঁড়াবে?

 


তাপদাহে তপ্ত দেশ, ভোট দেবেন কীভাবে?

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে কৃষক সম্মান নিধির হিসেব বুঝে নিতে চাইছেন যে নেতানেত্রীরা, তারা তো একবারও বলছেন না, কিসের জন্য এই প্রবল তাপ। কারা বোজালো জলাশয়, কারা কাটল গাছ, কারা বেহিসেবি নগরায়নে উইপোকার মতো একটু একটু করে খেয়ে নিল আমাদের সুজলা সংসার!

প্রচার আছে, প্রতিশ্রুতি আছে। তুই আর মুই। কেউ বলছে তীব্র লড়াই, কেউ বলছে সেটিং। মিটিং-মিছিল। কিন্তু কেউ বলছে না, এতো গরম দেখছেন, সব বনজঙ্গল কেটে সাফ করে দিল, বুজিয়ে দিল টলটলে পুকুর, এসব ওদের জন্য।

আসলে কারও মাথাব্যথা নেই। নইলে কেউ একটা বলতেন, কেন্দ্রের মোদী সরকার কেন পাল্টে দিল অরণ্য সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র সংক্রান্ত আইন। গত বছর কেন্দ্র এমন দুটি বিল পাশ করেছে, যা পরিবেশে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রথমটি অরণ্য সংরক্ষণ সংশোধনী আইন 2023। এই আইন বনাঞ্চলকে কর্পোরেটদের মৃগয়া করে তুলতে পারে। আগের আইন গাছপালাকে টিকিয়ে রাখার পক্ষে যতটা সহায়ক ছিল, নয়া ব্যবস্থায় রাশ আলগা হয়েছে। অর্থাৎ কেড়ে নেওয়া হয়েছে সুরক্ষা কবচ।

খননের কাজ হোক কিংবা সড়ক নির্মাণ, অরণ্য বিনাশ করে এগোনোর উপায় ছিল না। নতুন আইনে সেই বজ্র আঁটুনি আর নেই। সুখের কথা, অন্তর্বর্তী নির্দেশে এই আইনের প্রয়োগকে আপাতত ঠেকিয়ে রেখেছে শীর্ষ আদালত।

গত 10 বছরের শাসনকালে কেন্দ্রীয় সরকার এমন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। দোহাই দেওয়া হয়েছে পরিকাঠামো নির্মাণের। উত্তরাখণ্ডের চারধাম সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পের কথা বলা যেতে পারে। আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় পর্যটনকে উৎসাহ দিতে পাহাড়ি এলাকায় পরিবেশরক্ষার নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে।

হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় পর্যটন শিল্পের বেহিসেবি বাড়বাড়ন্তে কৃষিজমি ও অরণ্যের বিনিময়ে তৈরি হয়েছে হোটেল, রেস্তোরাঁ। গত নির্বাচনে বিজেপির ইশতেহারের কথা মনে করুন, হিমালয়ের বুকে গ্রিন বোনাস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি লেখা ছিল। উদ্দেশ্য, বনাঞ্চলের পরিধি বিস্তৃত করা। কিন্তু সেসব কথার কথাই হয়ে রয়ে গিয়েছে।

গালভরা নাম আছে বটে, কিন্তু তা কাজে আসছে কি! পরিবেশ, অরণ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রক। বিভিন্ন মাপকাঠির দিকে নজর দিলে বোঝা যায়, ভারত পরিবেশ ও জলবায়ু সংক্রান্ত বিভিন্ন মাপকাঠিতে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে।

রাজধানী দিল্লির আবহাওয়াই তার হাতেগরম প্রমাণ। অস্বচ্ছ ধোঁয়াশায় মোড়া দিল্লিকে সেখানকার বাসিন্দারাই এখন চিনতে পারেন না। নিঃশ্বাস নেওয়া কষ্ট, জ্বালা করে চোখ। স্কুল বন্ধ রাখতে হয়। শুধুই কি ফসলের খেত থেকে নাড়া পোড়ানোর ধোঁয়া এসে ঢেকে দিচ্ছে ইন্দ্রপ্রস্থের মুখ? সঙ্কট আছে আরও।

কয়লা পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে বিদ্যুৎ। সেই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে দূষণ ছড়াচ্ছে। হায়দরাবাদ আইআইটি-র সমীক্ষা বলছে, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছ পরিচালনার ঠিকঠাক পরিকাঠামো নেই এসব কেন্দ্রে। তাই বহু মানুষের ফুসফুস আক্রান্ত হচ্ছে। যদি পরিবেশের নিয়ম মেনে এই কেন্দ্রগুলি চলত, তা হলে 10 বছরে 7 লক্ষ 20 হাজার মানুষের অকালমৃত্যু ঠেকানো যেত।

বিজেপি তাদের ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রাম বা জাতীয় নির্মল বাতাস প্রকল্প তারা বাস্তবায়িত করবেই। 60টি শহরের বাতাসের মান 2029 সালের মধ্যে উন্নত করা হবে। দেশের বড় নদীগুলির পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার কথাও বলেছে তারা।


তাপদাহে তপ্ত দেশ, ভোট দেবেন কীভাবে?

কর্মসূচিতে অনেক কিছু থাকে, সবটা বাস্তবায়িত করার খাঁটি চেষ্টা থাকে কি! নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা ইলেক্টোরাল বন্ডের তথ্য নিয়ে খুবই হইচই হয়েছে। পরিবেশ সংক্রান্ত আইন ভাঙতে যারা ওস্তাদ, সেই সংস্থাগুলি বন্ডের নামে বিপুল টাকা দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলিকে। আর কে না জানে, এই চাঁদায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে বিজেপি।

কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে বিজেপির পাশ করানো আইন সংশোধন করে দেবে। তারা প্রকাশ করেছে ন্যায়পত্র। 48 পাতার কর্মসূচিতে পরিবেশের উল্লেখ আছে। এ জন্য তারা দুটি পাতা খরচ করেছে। হাতের প্রতিশ্রুতি, জনজাতি মানুষদের অরণ্যের উপর অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে। বনবাসী অধিকার আইন 2006 অনুযায়ী অরণ্যচারী মানুষের দাবি দ্রুত পূরণ করার কথা বলেছে রাহুল ব্রিগেড।

প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে এই আইন পাশ হয়েছিল। কিন্তু বিজেপি সরকার এ নিয়ে উদাসীন রয়েছে বলে দাবি কংগ্রেসের।

ইশতেহারে কংগ্রেস বলেছে, বিজেপি সরকার যেসব 'জনবিরোধী' আইন পাশ করিয়েছে, তার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবেশ ও অরণ্য সংক্রান্ত আইনও। ধরে নেওয়া যায়, কংগ্রেস অরণ্য সংরক্ষণ সংশোধনী আইনের কথাই বলেছে।

2019-এর নির্বাচনী ইশতেহারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা দেশের নদনদীকে পরিচ্ছন্ন করবে। জাতীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা 30টি রাজ্যের 279টি নদীকে চিহ্নিত করে। বাস্তবে কতটা কাজ হয়েছে? গঙ্গা যা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে পুণ্যতোয়া হিসেবে চিহ্নিত, তার বড় অংশকেই এখনও পরিচ্ছন্ন করে তোলা যায়নি।

বিশ্বের মানচিত্রে পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে ভারতের ভূমিকা খুব একটা আশাপ্রদ নয়। ইয়েল ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা অনুযায়ী, 2022 সালে এনভায়রনমেন্ট পারফরম্যান্স ইনডেক্স-এ ভারতের র‍্যাঙ্ক 180।

বায়ু, জলের পাশাপাশি প্লাস্টিক দূষণ আজ মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুইজারল্যান্ডের সংস্থা আর্থ অ্যাকশন 12টি দেশকে বেছে নিয়েছে যারা প্লাস্টিকের পরিবেশবান্ধব ব্যবহার করতে পারছে না। পৃথিবীতে যত প্লাস্টিক বর্জ্যের যথাযথ পুনর্ব্যবহার বা নিষ্কাশন হয় না, তার 60 শতাংশই হয় এই 12টি দেশে।

পরিস্থিতি যেখানে এমনই গুরুতর, বিজেপি চলতি নির্বাচনের আগে পরিবেশকে কি ততটা গুরুত্ব দিয়েছে? 69 পাতার ইশতেহার প্রকাশ করেছে মোদী ব্রিগেড। তার মধ্যে তিনটি পাতা বরাদ্দ পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে। দীর্ঘ মেয়াদে উন্নত ভারতের লক্ষ্যে যে মোদীর গ্যারান্টির কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি।

জীবাশ্ম বহির্ভূত জ্বালানির উৎসের উপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি 60টি শহরে বাতাসের মান উন্নত করার কথা বলেছে বিজেপি।

এ সব কথা কতটা আন্তরিকভাবে নতুন সরকার অনুসরণ করবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সংশয় আছে। তাঁদের একাংশের দাবি, ইউপিএ সরকার পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়কে বিজেপির তুলনায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এর মূল কারণ, কংগ্রেস নাগরিক সমাজের দাবিদাওয়া শুনতে আগ্রহী, বিজেপি তা নয়।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দূষিত শহর এই দেশে। নদী দূষিত। ভূগর্ভের জলস্তর ক্রমশ কমছে। বেঙ্গালুরুর তীব্র জলসঙ্কট দেখিয়ে দিয়েছে, কী হতে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ।

বাতাসের মান খারাপ। অসুস্থ ফুসফুস নিয়ে বেড়ে উঠছে নতুন প্রজন্ম। রাজনৈতিক দলগুলি অরণ্যায়নের কথা বলছে, তারাই আবার খনি তৈরির জন্য ধ্বংস করছে সবুজ।

সারা দেশে যখন সবুজের অভিযান রুদ্ধ, আমরাই বা পিছিয়ে থাকি কেন!

তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মা-মাটি-মানুষের দল বলে দাবি করে। তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচটি পাতা বরাদ্দ করা হয়েছে পরিবেশের জন্য। বনাঞ্চল বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র রক্ষা, ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণের কথা বলেছে তৃণমূল। বলা হয়েছে নদী ভাঙন রোখার কথা। জীববৈচিত্র রক্ষা থেকে জলবায়ু পরিবর্তন, নানা সাফল্য ও প্রতিশ্রুতির কথা উঠে এসেছে ইশতেহারে।

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের সমীক্ষা অনুযায়ী, কলকাতায় গত এক দশকে সবুজের পরিমাণ কমেছে 30 শতাংশ। আড়াই বর্গকিলোমিটার থেকে এসে দাঁড়িয়েছে 1.77 বর্গকিমির কম। অথচ অন্য মেট্রো শহর দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাইয়ে বেড়েছে গাছের সংখ্যা। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য অনেক গাছ পড়ে গিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই হ্রাসের পিছনে কি শুধু সেটাই কারণ?

সবুজ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক নব দত্ত বলেন, "বিশেষজ্ঞরা কলকাতাকে ডিজেল ক্যাপিটাল বলছেন। এই শহরে সবচেয়ে বেশি ডিজেলচালিত গাড়ি চলে। এই ডিজেল থেকে কার্বন নিঃসরণ হয়। এর ফলে বাতাসের মান ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। 13টি নদীর অবস্থা খারাপ। উত্তরবঙ্গের মহানন্দা ও দক্ষিণবঙ্গের বিদ্যাধরী নদী সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।"

তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে কথা বলি। পরিবেশ সম্পর্কে আমাদের ইশতেহার তাদের কাছে তুলে ধরি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, পরিবেশ বিশেষ গুরুত্ব পায় না। দলগুলির ইশতেহারে উল্লেখ থাকে বটে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে তার প্রতিফলন কমই দেখা যায়।"

উষ্ণায়ন বিশ্বজনীন সমস্যা। কিন্তু কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারগুলি যেটুকু ভূমিকা নিতে পারে, তা কি তারা নিচ্ছে?

ছোটবেলায় সবাইকে ভাব সম্প্রসারণ লিখতে হয়, 'দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর'। মানুষ এই ঝলমলে সভ্যতা ছেড়ে জঙ্গলে ফিরে যেতে পারবে না। তা হলে কি এই বিষ্ণ উষ্ণায়নে ঝলসে-পুড়ে যাওয়াই আমাদের ভবিতব্য?

কবি বুঝিয়েছিলেন, নগরকে বাঁচতে হবে সবুজকে সঙ্গে করে। কিন্তু আমরা কি সবুজকে বাদ দিয়ে একটা ধূসর পৃথিবীই গড়ে তুলছি না?


New
এগজিট পোল মিলে গেলেও যে প্রশ্ন উঠবেই
এগজিট পোল মিলে গেলেও যে প্রশ্ন উঠবেই
কংগ্রেস সেঞ্চুরি না করলে কে রুখবে বিজেপিকে?
কংগ্রেস সেঞ্চুরি না করলে কে রুখবে বিজেপিকে?
ভোটই তো গোনা, মজন্তালী সরকারের ঢেউ গোনা তো নয়
ভোটই তো গোনা, মজন্তালী সরকারের ঢেউ গোনা তো নয়


Other Writings by -কুশল সিংহরায়
এগজিট পোল মিলে গেলেও যে প্রশ্ন উঠবেই
এগজিট পোল মিলে গেলেও যে প্রশ্ন উঠবেই

লোকসভা ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পর সব …

কংগ্রেস সেঞ্চুরি না করলে কে রুখবে বিজেপিকে?
কংগ্রেস সেঞ্চুরি না করলে কে রুখবে বিজেপিকে?

এবার আইপিএল ফাইনাল …

ভোটই তো গোনা, মজন্তালী সরকারের ঢেউ গোনা তো নয়
ভোটই তো গোনা, মজন্তালী সরকারের ঢেউ গোনা তো নয়

এবারের নির্বাচনে প্রথম দফার নির্বা…

প্রথম লোকসভায় কলকাতার তিন মহারথী
প্রথম লোকসভায় কলকাতার তিন মহারথী

''সেই সময় সংসদের দুই কক্ষে এমন মানুষেরা ছিলেন, 


4thPillar

Support 4thPillarWeThePeople

Admin Login Donate
আমাদের কথা

আমরা প্রশ্ন করি সকলকে। আমরা বহুত্ববাদী, স্বাধীন, যুক্তিবাদী। আমরা সংশয়বাদী; তর্কশীল; আবার সহিষ্ণুও বটে। আসুন কথা হোক; পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, বিশ্বাস রেখে আলোচনা হোক। মননের ইতিহাসে শেষ কথা বলার স্পর্ধা কারও যেন না হয়; আবার কোনও স্বরই যেন অকিঞ্চিৎকর বলে উপেক্ষিতও না হয়। এই রকম ভাবনার একটা ইন্টারনেট-ভিত্তিক বিশ্বব্যাপী কমিউনিটি গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

© 2023 4thPillarWeThepeople. All rights reserved & Developed By - 4thPillar LeadsToCompany
// Event for pushed the video