×
  • নজরে
  • ছবি
  • ভিডিও
  • আমরা

  • কলকাতার পথ দুর্ঘটনা রুখতে গাড়ির গতি কমানোই একমাত্র পথ

    শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত | 06-03-2021

    প্রতীকী ছবি।

    কলকাতার (Kolkata) রাজপথে পথ দুর্ঘটনা (street accident) রুখতে গাড়ির গতি কমানোই একমাত্র পথ। কলকাতার মতো মোটরচালিত ও মোটরচালিত নয়, এমন যানবাহন অন্য কোনও শহরে চলো না। পথচারীদের হাঁটার জন্য কলকাতার ফুটপাথ হকারের দখলে। যান চলাচলের রাস্তায় পথচারীরা নেমে আসতে বাধ্য হন। তাই পথ দুর্ঘটনা ও সেই কারণে মৃত্যু রুখতে একমাত্র পথ গাড়ির গতি কমানো। এমনটাই মনে করেন পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। করোনা (Corona) এখন অনেকটাই তার মারণ থাবা কমিয়েছে। এর কারণ আমরা অনেকেই করোনার দু’টো টিকা নিয়ে ফেলেছি। সংক্রমণের সম্ভাবনা এখন আমাদের অনেকটাই কম। তাই আবার স্বাভাবিক হচ্ছে দেশ, আমাদের রাজ্য, কলকাতা। কলকাতার রাজপথে আবার পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও তাই বাড়ছে বলে মনে করছেন কলকাতা পুলিশের পরিযান বিভাগের কর্তারা।  

     

     

    2020-তে একদিকে করোনা অন্যদিকে লকডাউনের (Lockdown) জন্য সেই অর্থে রাস্তায় মানুষ নামেননি। চলেনি  বিপুল সংখ্যায় যানবাহন। ফলে পথ দুর্ঘটনাও তুলনায় 2019-এর তুলনায় অনেক কম হয়েছে । তবে গত 2021-এর জুন মাস থেকে রাজ্যে লকডাউন উঠেছে। নভেম্বরের 16 তারিখ থেকে খুলে গেছে স্কুল, কলেজ। ফলে রাস্তায় আবার ভিড় বাড়ছে। তাই বাড়ছে পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও। এর থেকে কেমন করে রেহাই পাওয়া যায় তা নিয়ে কিছু সমাধান সূত্র দিয়েছেন রাজ্যের পরিবহন সচিব, পরিবহন দফতরের এডিজি-আইজি এবং পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও খড়গপুর আইআইটি-র এক অধ্যাপক। তাঁদের আশঙ্কা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি আবারও বাড়ছে পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা। এর থেকে মুক্তির পথই খুঁজছেন এই তিনজন। তাতে বেশ কিছু সমাধানের পথও তাঁরা খুজে পেয়েছেন বলে তাঁদের দাবি। সেই পথেই কলকাতার পরিবহন ব্যবস্থাকে পরিচালিত করার দিকে যেতে চাইছেন তাঁরা। তাঁদের মতে শহর কলকাতার গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করেই এই পথ দুর্ঘটনা থেকে অনেকটা রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

     

     

    রাজ্যের এডিজি ও আইজি ট্রাফিক অ্যান্ড রোড সেফটি, অজয় কুমার জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইভ প্রকল্প চালু করার পর কলকাতা ও রাজ্যে পথ দুর্ঘটনা কমেছে। তবে এখনও তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এই পথ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ যানবাহনের  অস্বাভাবিক গতি। মোটরবাইক চাকলদের মধ্যে এই বিষয়টা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়। তাঁরা জয় রাইড ও স্টান্ট দেখাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েন। এর ফলে নিজেরাও প্রাণ হারান পথচারীরাও প্রাণ হারান তাঁদের উচ্চগতির জন্য। দায়িত্ব ও শিক্ষার জায়গা থেকে পাথ নিরাপত্তার বিষয়টিকে দেখা প্রয়োজন। সেই চেষ্টা হচ্ছে।''

     

     

    রাজ্যের পরিবহন সচিব রাজেশ কুমার বলেন, “গত 2019-তে ভারতে 4.5 লক্ষ পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন 1.5 লক্ষ মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে ওই একই সময়ে পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে 10,158 টি। এতে প্রাণ হারিয়েছেন 5,500 জন। সারা দেশের 36টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ একাদশ স্থানে রয়েছে। আমরা দেখেছি গাড়ির গতি বেশি থাকার জন্যই বেশিরভাগ পথ দুর্ঘটনা ঘটছে।''

     

     

    “কলকাতার 5. 5 থেকে 6 শতাংশ রাস্তা এখন গাড়ি চলার জন্য রয়েছে। ফুটপাথ দখল করে রয়েছে বিভিন্ন হকার। তাই ফুটপাথে হাঁটা-চলার সুযোগ পাচ্ছেন না কলকাতার পথচারীরা। অথচ রোজই আমাদের নজরে আসছে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার খবর। এর থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় হচ্ছে কলকাতাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে গাড়ির গতি কমিয়ে যানবাহন চালানো।'' এমনটাই জানিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও খড়গপুর আইআইটি-র অধ্যাপক ভার্গব মৈত্র। 

     

     

    তথ্য বলছে, করোনার ফলে গত 2020-তে কলকাতা তথা সারা দেশে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা কমই ছিল। কারণ তখন সেই অর্থে যানবাহন চলেনি লকডাউনের জন্য। তবে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। স্কুল-কলেজ 20 মাস বন্ধ থাকার পর আবার খুলেছে। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে অফিস আদালতের কাজ।  2021-এর জুন থেকে রাস্তায় আবার মানুষের ভিড় এখন নজরে পড়ছে। কেননা লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে। নভেম্বরের 16 তারিখ থেকে স্কুল-কলেজ পড়ুয়ারাও বাড়ির বাইরে পা রেখেছে। এর ফলে রাস্তায় একদিকে যেমন যানবাহনের ভিড় বেড়েছে, তেমন পথচারীর সংখ্যাও বেড়েছে আগের তুলনায় অনেকটাই। কলকাতা স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে। আর এইসব কারণেই বাড়ছে পথ দুর্ঘটনা বৃদ্ধির সম্ভাবনা। এই পথ দুর্ঘটনা বৃদ্ধির সম্ভাবনাই এখন রাজ্য প্রশাসনের পরিযান বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের চিন্তার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

     

     

    এই প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারের পরিবহন সচিব, রাজেশ কুমার, রাজ্যের এডিজি ও আইজিপি ট্রাফিক এবং রোড সেফটি অজয় কুমার এবং পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও আইআইটি, খড়গপুরের অধ্যাপক ভার্গব মৈত্র বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য দিশা দিয়েছেন, যেটা অনুসরণ করলে পথ দুর্ঘটনা কমবে বলে তাঁদের দাবি। বেশ কিছু বিষয়কে নির্দিষ্ট করে তাঁরা এই প্রসঙ্গে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন। এই বিষয়ে একটি ভার্চুয়াল কনফারেন্সও করেছেন এই তিনজন। তাঁদের এই আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে বহু বিষয়, ক্ষেত্র। চিহ্নিত হয়েছে একাধিক সমস্যার জায়গা। তবে তার মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে গাড়ির গতি, স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা, গাড়ির চালক ও পথচারীদের ভূমিকার দিকগুলো।

     

     

    “দুর্ঘটনা কমাতে গেলে প্রথম প্রয়োজন গাড়ির গতি কমানো। এছাড়াও এলাকাভিত্তিক গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা।'' এমনই বলছেন পরিবহণ বিশেষজ্ঞ ও আইআইটি-র অধ্যাপক ভার্গব মৈত্র। তিনি কলকাতার ট্রাফিক বিভাগে তাঁর এই প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর মতে, “কলকাতাকে তিনটি ভাগে ভাগ করে যানবাহনের  গতি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হলে পথ দুর্ঘটনা কমবে, কমবে দুর্ঘটনা ঘটলেও মৃত্যুর হার।'' তাঁর প্রস্তাব, “শহরের বাজার ও স্কুল এলাকায় গাড়ির গতি 30 কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা হতে হবে। কারণ এই রাস্তায় যানবহন ও পথচারীরা একই সঙ্গে যাতায়া করে। তাই এই সমস্ত অঞ্চলে পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেশি। ই এম বাইপাসে গাড়ির গতি হতে হবে ঘণ্টায়  থেকে 50 কিলোমিটার। কেননা এখানে পথচারী সেই অর্থে নেই। ট্রাফিক সিগনালিং ব্যবস্থাও অনেক উন্নত। তুলনামূলকভাবে যে সব রাস্তায় ভিড় কম, স্কুল, কলোজ, বাজার নেই সেখানে গাড়ির গতি ঘণ্টায় 40 কিলোমিটার রাখতে হবে। এছাড়া সাইকেল চলার জন্য আলাদা রাস্তা এবং উড়ালপুলে আলাদা মোটরবাইক যাতায়াতের রাস্তা থাকা জরুরি।''

     

     

    কলকাতায় মোটরচালিত ও মোটরচালিত নয় একন যানবাহন একই রাস্তায় চলাচল করে। বিশ্বের অন্য কোনও শহরে এটা সেই অর্থে নেই। এখানে বাস, লরি, অটোরিকশার পাশাপাশি সাইকেল রিকশা, বাই সাইকেল চলাচল করে। এর ফলে পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তার সঙ্গে রয়েছে পথচারীদের যাতায়াত। তাঁরা ফুটপাথ নেই বলে রাস্তার উপর দিয়েই হাঁটছেন। রাস্তা পারাপারের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই, ফলে যানবাহনের  চলাচলকে উপেক্ষা করেও অনেকে রাস্তা পারাপার করেন। এই সব ঘটনাই পথ দুর্ঘটনার সম্ভাবনাকে বহুলাংশে বাড়িয়ে দিছে। এই কারণেই গাড়ির গতি কমিয়ে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার কমানো যায় বলে দাবি করছেন ভার্গব মৈত্র। 

     

     

    তাঁর মতে, “30 কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় চলা কোনও গাড়ি কোনও পথচারীকে ধাক্কা মারলে তাঁর মৃত্যুর সম্ভাবনা 10 শতাংশ। তবে এই গাড়ির গতি যদি 50 থেকে 80 কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় থাকে তাহলে যিনি ধাক্কা খাচ্ছেন তাঁর মৃত্যু অনিবার্য। তাই পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু রুখতে গাড়ির গতি কমাতেই হবে।''

     

     

    পরিবহণ বিশেষজ্ঞ ভার্গব মৈত্র বলেন, “কলকাতার রাস্তায় আমরা একটা গোলকধাঁধার মধ্যে আছি। তাই দেখা যাচ্ছে কলকাতায় পথ দুর্ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে বা হয় তাঁদের বেশিরভাগ পথচারী, তারপর রয়েছে বাইক আরোহী। চার চাকার গাড়িতে যাঁরা যাতায়াত করেন পথ দুর্ঘটনায় তাঁদের মৃত্যুহার কলকাতায় অনেক কম। কেননা তাঁরা গাড়ির মধ্যে থাকেন। এর থেকে সমাধানের একটাই পথ, হয় সেটা হচ্ছে গাড়ির গতি কমাতে হবে না হয় রাস্তা বাড়াতে হবে। রাস্তা বাড়াতে গেলে সমস্যা আছে। কলকাতায় চাইলেই রাস্তা বাড়াতে পারা যাবে না, কারণ ফাঁকা জায়গা নেই। তাছাড়া ফ্লাইওভার করে বা অন্য ভাবে যে পরিমাণ রাস্তা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, তার চাইতে বেশি সংখ্যায় গাড়ি বেড়ে যাচ্ছে নিমেষে। তাই মানুষকে পথ দুর্ঘটনা থেকে বাঁচাতে হলে হয় ফুটপাথ ফিরিয়ে দিতে হবে, না হলে গাড়ির গতি কমাতেই হবে। এছাড়া পথ দুর্ঘটনা কমানো ও এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে মৃত্যু হার কমিয়ে আনার অন্য কোনও অন্য পথ নেই।''

     

    আরও পড়ুন: মর্ত্য হতে বিদায়, পাতাল থেকে স্বর্গলোকে

     

    কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, 2021-এর করোনাকালীন সময়ে পুলিশি নজরদারিতে  বছরের শুরু থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত সময়কাল ধরে শহরে পথ দুর্ঘটনার হার অনেকটাই কমছে। এর প্রধান কারণ এই বছর মে মাস পর্যন্ত শহরে লকডাউন ছিল। জুন মাসে সব আবার স্বাভাবিক হয়েছে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর। 2021-এ কলকাতায় পথ দুর্ঘটনায় জখম এবং মৃত্যুর হার কিছুটা কমের দিকেই রয়েছে বলে কলকাতা পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে। গত বছরে অর্থাৎ  2020-তে যেখানে পথ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন 201 জন, সেখানে 2021-এর জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত  তা 150-এর আশপাশেই রয়েছে।

     

    2019-এ পথ দুর্ঘটনায় কলকাতায় মৃত্যু হয়েছিল 267 জনের। তবে 2017-য় পথ দুর্ঘটনায় মারা যান 407 জন। এই বছর অক্টোবর মসে লালবাজারে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের বার্ষিক ‘রিভিউ বুক’ উদ্বোধন করে কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র এই তথ্য দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশের নজরদারি সর্বক্ষণ রয়েছে। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু আগের থেকে অনেকটাই কমেছে।''

     

     

    লালবাজার পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে,  2020-তে বেসরকারি বাসের ধাক্কায় সব থেকে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে শহরে। এই সংখ্যাটা হল 41। পণ্যবাহী গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে 40 জনের। প্রাইভেট গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে 29 জনের। মোটরবাইকের কারণে মারা গিয়েছেন 20 জন। 

     

     

    তবে পরিবহণ বিশেষজ্ঞ ও আইআইটি, খড়গপুরের অধ্যাপক ভার্গব মৈত্রর  বক্তব্য, “2020 তে শুধু কলকাতা নয়, সারা ভারতে করোনা ও লকডাউনের ফলে মানুষ রাস্তায় কম নেমেছেন, যানবাহন কম চলেছে। তার ফলে পথ দুর্ঘটনা কম হয়েছে। কিন্তু এখন ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। রাস্তায় যানবাহন, পথচারীর সংখ্যা বাড়ছে। তাই আবার পথ দুর্ঘটনা যে বাড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।''

     

     

    একই বিষয়ে ভার্গব মৈত্রর সঙ্গে সহমত পোন করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহণ সচিব রাজেশ কুমার ও এডিজি ট্রাফিক যান্ড রোড সেফটি অজয় কুমার। তাঁদের মতে, “এই কাজে স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব অনেক। সেই কাজ আরও গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। পাশাপাশি গাড়ির চালক, পথচারী সবাইকে সচেতন হতে হবে।''

     

     

    এদিকে ভার্গব মৈত্র দাবি করেন, “কলকাতার রাস্তায় যানবাহনের গতি কমাতে পারলেই বহু সংখ্যক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমবে। পথ দুর্ঘটনা ঘটবেই, এটা স্বাভাবিক ঘটনা। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়া বন্ধ করা। তার জন্যই যানবাহনের  গতি কমাতে হবেই।''

     


    শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত - এর অন্যান্য লেখা


    কলকাতার আকাশচুম্বী আবাসনের পাশে খোলা আকাশের নীচে ওরা কারা

    কলকাতা পুর নির্বাচনে বামফ্রন্টের ইস্তাহার দেখে মনে হচ্ছে তৃণমূলের সাফল্য অনুসরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। 

    নোটবন্দির পাঁচ বছর পার। এখনও মানুষের ভরসা নগদ লেনদেনেই।

    বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের পূর্বাভাস, মাঠের ফসল প্লাবিত হয়ে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা  

    গাড়ির গতি কমিয়েই কলকাতার পথ দুর্ঘটনা ও সেই কারণে মৃত্যু রোখা যায়, মত বিশেষজ্ঞদের।

    কলকাতায় সার্কাসের তাঁবু উধাও। একসময় শহরে শীতের বার্তা নিয়ে আসত এই সার্কাসের তাঁবু।

    কলকাতার পথ দুর্ঘটনা রুখতে গাড়ির গতি কমানোই একমাত্র পথ-4thpillars

    Subscribe to our notification

    Click to Send Notification button to get the latest news, updates (No email required).

    Not Interested