×
  • নজরে
  • ছবি
  • ভিডিও
  • আমরা

  • নয়া নাগরিকত্ব আইন আদৌ বাস্তবায়িত হবে?

    গৌতম লাহিড়ী | 21-01-2021

    প্রতীকী ছবি।

    এক বছর কেটে গেল। বিজেপি সরকার অনেকটা তাড়াহুড়ো করেই গত বছরের ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে পাশ করাল সংসদে। যেদিন সংসদ আইনটি অনুমোদন করল, সেদিনই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হস্তাক্ষর নিয়ে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। বিজেপির ধারণা ছিল এই নতুন আইন পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তুরুপের তাস হবে। সহজেই এই রাজ্যে হিন্দু-মুসলিম মেরুকরণ করা সহজ হবে। দেখতে দেখতে বছর গড়িয়ে নতুন বছর চলে এল। আজও সেই আইন বাস্তবায়িত হল না। কিন্তু, কেন?

     

    যে কোনও আইনের বাস্তবায়নের জন্য নিয়ম হল, নিয়মাবলী বা রুলস তৈরি করতে হয়। সেই নিয়মাবলী সংসদের একটি কমিটি, যা ‘সাবঅর্ডিনেট লেজিসলেশন কমিটি’ নামে পরিচিত, তাদের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এক বছরের মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই নিয়মাবলী তৈরি করতে পারল না। সংসদের অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিয়মাবলী পেশ করার জন্য বাড়তি তিন মাস সময় চেয়ে নিয়েছিল। সেই তিন মাস সময় পেরিয়ে গেল। এখনও জানা যায়নি কবে নিয়ম তৈরি হবে। নিয়ম তৈরি না হলে নাগরিকত্ব দেওয়া যায় না। অথচ, বিজেপির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি জে.পি নাড্ডা পশ্চিমবঙ্গে সভা করলেন, হুঙ্কার দিলেন নাগরিকত্ব আইন পশ্চিমবঙ্গে লাগু হবেই।

     

    সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের উদ্দেশ্য পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানে ধর্মীয় কারণে নিপীড়িত হিন্দু, খ্রিষ্টান, পার্সি, জৈন ও শিখ সম্প্রদায়ের মানুষদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে। এমন একটা আইন প্রণয়ন করেও বিজেপির নেতারা হঠাৎ কেন নীরব হয়ে গেলেন? কয়েকদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিম মেদিনীপুর ও বোলপুরে ঝটিকা সফর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এক অদ্ভুত জবাব দিলেন। বললেন, ‘প্রথমে করোনার টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হবে, তারপর নাগরিকত্ব আইন চালু হবে।‘ বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, কেন্দ্রীয় সরকার সময় অতিবাহিত করছে। কেন? 

     

    সংসদের সিলেক্ট কমিটিতে আলোচনার সময়ে বিরোধী সব দলই এই আইন প্রণয়নে আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রথমত, আইনটি ভারতের সংবিধানের বিরোধী। ভারতের সংবিধান ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়াকে অনুমোদন করে না। অথচ, এই আইনে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্কে বিরূপ মতপ্রকাশ করে আইন প্রণয়নের নজির কোনও দেশে আছে কিনা সন্দেহ। হঠাৎ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই আইন নিয়ে শীতলতার নেপথ্যে বর্তমান সময়ের ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাবলীর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

     

    লাদাখে যখন চিনের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ চরমে, সেই সময়ে ভারতের অন্য সীমান্তগুলিতে স্থিতাবস্থা-শান্তি বজায় রাখা একান্ত জরুরি। জরুরি প্রতিবেশী ‘বন্ধু’ রাষ্ট্রের সহমর্মিতা। এখন উপমহাদেশে এক অনিশ্চিত বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চরম, উগ্র দক্ষিণপন্থী মৌলবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলতেও দ্বিধা করছে না সেই শক্তি। এমনকি আঘাত হেনেছে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের প্রতিকৃতি ও মূর্তিতে। বঙ্গবন্ধুর পরে সুফি ইসলামের পীঠস্থান, লালন সাঁইয়ের জন্মস্থান কুষ্ঠিয়ায় শহীদ বাঘাযতীনের মূর্তিও ভেঙে ফেলা হয়েছে। এই অবস্থায় ভারতের অঙ্গরাজ্য গুলিতে কেবলমাত্র ভোটের স্বার্থে এমন কোনও আইন বাস্তবায়িত করা যৌক্তিক হবে কি? আইনে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সামাজিক ব্যবস্থার সমালোচনা করা হচ্ছে। এই আইনের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার বেড়েও যেতে পারে বলে বাংলাদেশ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বাংলাদেশকেই সমাধান করতে হবে। এর জন্য ভারতের কোনও ভূমিকা পালনের অর্থ অন্যদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ। এমনটা নয় যে, সংখ্যালঘু মানুষদের উপর কোনও অত্যাচার হচ্ছে না। সেই ঘটনার সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। ভারতের অভ্যন্তরেও কি এমন ঘটনা ঘটছে না? এই অবস্থায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সজাগ উদারবাদী, ধর্মনিরপেক্ষ মানুষেরাও সংখ্যালঘুদের উপরে নিপীড়নের নিন্দা করেছেন। একইসঙ্গে ভারত সরকারের এই ধরনের আইন প্রণয়ন নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলছেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জনমতের চাপে পড়েছেন। সেই কারণেই তিনি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন- ‘ভারত সরকারের এই ধরনের আইন প্রণয়নের কোনও প্রয়োজন ছিল না।‘

     

    এটা অস্বীকার করা যায় না যে, এই আইনের ফলে কেবলমাত্র সামাজিক অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে তাই নয়, চিন এই সুযোগকে নিজ স্বার্থে সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে চাইছে। চিনের লগ্নি বাড়ছে বাংলাদেশে। কয়েকদিন আগেই চিনা প্রযুক্তিতে নির্মিত ছয় কিমি দীর্ঘ, পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এটা বাংলাদেশের গর্ব বলে সাধারণ মানুষ উৎসব পালন করেছেন। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতে চিনা সাহায্য প্রতি বছর বাড়ছে। ভারতের পক্ষে কেবলমাত্র মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ আর ভাবাবেগ দিয়ে এই চিনা প্রেম রোখা সম্ভব হচ্ছে না। এই অবস্থায় ভারত সরকারের ভোটের রাজনীতির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কূটনৈতিক মহলে। সম্ভবত তাদের পরামর্শেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে আপাতত বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ধীরে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

     

    গত বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উৎসবের উদ্বোধনে মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরের কর্মসূচি স্থির হয়েছিল। সেই সময়ে ঢাকার রাস্তায় ইসলামিক সংগঠনগুলি ঢাকা শহরকে কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলেছিল। প্রতিবাদের কারণ- ভারতের নয়া নাগরিকত্ব আইন। সৌভাগ্যের বিষয় করোনা মহামারীর কারণে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর স্থগিত হয়ে যায়। এই বছরের 17 ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে একটি শীর্ষ বৈঠক হয়েছে। এই বৈঠকে নাগরিকত্ব আইনের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়নি। তবে আগামী 27 মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফের ঢাকা সফরে যেতে পারেন। তার আগে নাগরিকত্ব আইনের মতো বিতর্কিত আইন লাগু করা সম্ভব নয়। অনেকটা এই কারণে আপাতত বিজেপি সরকার পিছু হটছে। 

     

    এই আইন শেষ পর্যন্ত বিজেপির গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে। একদিকে প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের বাধ্যবাধকতায় দোলাচলে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঢাকা সফরের পরে আচমকা আইন লাগু হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। বিজেপির নিজস্ব ভোটব্যাঙ্কের মধ্যেও এই নিয়ে দ্বিধা দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের কাছে এখনও স্পষ্ট নয় যে, কীভাবে এই আইন কার্যকর করা যাবে। এই আইনে বলা হয়েছে 2014 সালের ডিসেম্বরের আগে যারা ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ছয় বছর কেটে গেল। আগের নাগরিকত্ব আইনে রয়েছে 1971 সাল পর্যন্ত যারা ভারতে এসেছেন, তাদের সকলকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। 1971 সালের মুক্তিযুদ্ধের একটা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। তার সঙ্গে হঠাৎ 2014 সালকে মিলিয়ে দেওয়া কি ঠিক? 

     

    1975 সালে বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। 19 বার সেনা অভ্যুত্থান হয়েছে। সামাজিক অসন্তোষ তৈরি হওয়ার ভিত্তিভূমি ছিল। উগ্র জামাত ইসলামিকদের রমরমা চলেছিল সেনা মদতে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর সে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এসেছে। জনরোষ থাকলেও সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে। ভারত সরকারের আইনে শেখ হাসিনার সময়কালকেই কি নিন্দা করা হচ্ছে না? এতে কি প্রতিবেশী সুলভ বিশ্বাসে আঘাত আসবে না? ঘটনা হল ভারত সম্পর্কে বাংলাদেশের জনতার অনাস্থা বাড়ছে। অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে। আর সেই পালে হাওয়া জোগাচ্ছে দুই দেশের মৌলবাদী শক্তি। 

     

    দ্বিতীয়ত, নাগরিকত্ব দেওয়া হবে কীভাবে, তাও স্পষ্ট নয়। পূর্বের নাগরিকত্ব আইনে বলা ছিল কেউ যদি ভারতে একটানা 7 বছর বাস করেন, তাহলে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া যেতে পারে। বর্তমান আইনে সেই সময়সীমা কমিয়ে 5 বছর করা হয়েছে। অর্থাৎ, আবেদনকারীকে ঘোষণা করতে হবে তিনি বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে 5 বছর বা তার বেশি সময় পূর্বে এসেছেন। এতে একটা অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি হবে। আর আবেদনকারী যদি আবেদনের পরে নাগরিকত্ব না পান, তাহলে তাদের নিয়ে কী করা হবে?

     

    এই প্রশ্নটা ওঠে বাংলার নমঃশূদ্র মতুয়া সম্প্রদায়কে কেন্দ্র করে। এদের অনেকেই নাকি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। অথচ ভারতের নাগরিকত্ব পায়নি। এরা পশ্চিমবঙ্গের কমপক্ষে চল্লিশটি বিধানসভায় নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেন বলে দাবি করা হয়। বিগত লোকসভা নির্বাচনে এই মতুয়া সম্প্রদায়ের দুই প্রতিনিধি বিজেপির পক্ষ থেকে বনগাঁ ও রানাঘাট কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। এই মতুয়া সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং তাদের খাসতালুক ঠাকুরনগরে এসেছিলেন। এই সমাজের প্রভাবশালী ‘বড় মা’ বীণাপাণি দেবীকে নিজেদের দলে টানতেও বিজেপি উদ্যোগ নেয়। এদের তথাকথিত নাগরিকত্ব দেওয়ার নামে সুকৌশলে বাংলায় এই প্রথম জাতপাতের রাজনীতির প্রবর্তন করল বিজেপি। বিজেপির হাত ধরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণভিত্তিক রাজনীতির দোসর হল জাতভিত্তিক রাজনীতি। প্রশ্ন হল, এদের প্রতিনিধিরা লোকসভার সাংসদ হতে পারেন, বিধানসভার প্রতিনিধি হতে পারেন, কিন্তু এখনও তাঁরা নাগরিক নন কেন? মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেরই আধার কার্ড, ভোটার কার্ড রয়েছে। তবুও এঁরা নাগরিক নন? প্রশ্ন জাগে, নাগরিকত্ব দেওয়াই কি প্রধান বিষয়, নাকি নাগরিকত্বের ধুয়ো তুলে ধর্মীয় মেরুকরণই প্রধান উদ্দেশ্য? আপাতত কূটনীতির বেড়াজালে পড়ে নয়া নাগরিকত্ব আইন, যা CAA নামে সমধিক পরিচিত, সেটি শিকেয় উঠেছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এই আইনের পক্ষে এত জোরালো চাপ তৈরি করছে, তাতে বিজেপি আন্তর্জাতিক কূটনীতির বাধ্যবাধকতার যুক্তি দেখিয়ে কতদিন এই আইনকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে, সেটাই দেখার। আইন প্রণয়নে বিলম্ব হওয়ায় বিজেপির মতুয়া সাংসদ শান্তনু ঠাকুর সম্প্রতি ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। এরপর বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তরফে তাঁকে মুখ না খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

     

    অন্যদিকে এই আইন নিয়ে হিতে বিপরীত হতে চলেছে আসামে। চলতি বছরের মাঝামাঝি পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আসামেও বিধানসভা নির্বাচন। সেখানকার সুশীল সমাজ, ছাত্র-যুবরা রুখে দাঁড়িয়েছে এই আইনের বিরুদ্ধে। এর কারণটাও প্রাদেশিক। তারা মনে করছে, এই আইনের দরুণ বাংলাদেশীরা ভিড় করবে। আসাম চুক্তির অন্যতম শর্ত হল 1971 সালের পরে যারা এ দেশে এসেছে, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে না। অথচ এই নাগরিকত্ব আইন সেই চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করছে বলে অহমিয়ারা ক্ষুব্ধ। এবার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বাংলাদেশকে পাশার দান হিসেবে ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে না পড়ে যায় ভারত সরকারএটা মাথায় রাখতে হবে যে, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় আসাম তো বটেই, এখন ভারতের থেকেও বেশি। উন্নত বিকাশ দর- আর্থিক উন্নয়ন। সেই দেশের মানুষ হঠাৎ রুটি-রুজির সন্ধানে গরিব দেশে কেন আসবে? যুক্তিহীনতায় পূর্ণ একটা আইন, শেষ পর্যন্ত আস্ত উপমহাদেশে নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করে বসে। সেটাই এখন চিন্তার।

     

    (এই নিবন্ধটি একই শিরোনামে আরেক রকম পত্রিকার 16-31 জানুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।)

     


    গৌতম লাহিড়ী - এর অন্যান্য লেখা


    সংকট ঘরে বাইরে, নয়া নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দ্বিধায় বিজেপি।

    রোহিঙ্গাদের উপর খড়্গহস্ত হলেও সু-চির দলের নেতাদের মিজোরামে অনুপ্রবেশ নিয়ে নীরব কেন্দ্রীয় সরকার।

    নয়া নাগরিকত্ব আইন আদৌ বাস্তবায়িত হবে?-4thpillars

    Subscribe to our notification

    Click to Send Notification button to get the latest news, updates (No email required).

    Not Interested