×
  • নজরে
  • ছবি
  • ভিডিও
  • আমরা
  • poke-4thPillarWeThePeople
    দেশ যখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাকানিচোবানি খাচ্ছে, রাজামশাই তখন কী করছেন?  

    করোনার সাংবাদিক সম্মেলন

    করোনা ভীষণ খুশি তাকে আবার হেডলাইনে ফিরিয়ে আনার জন্য।  

    যত দোষ ‘প্রিয়’ ঘোষ!

    পাবলিকলি ভুল বলে ইমেজের দফারফা করলে পাবলিকলিই কড়কে দিতে হবে, সোজা হিসেব!  

    হনোলুলু থেকে বাংলাদেশ: সম্ভবামি যুগে যুগে

    দেশপ্রেমের রেসিপিতে একটু মুক্তিযুদ্ধের মশলা মেশালে ঝাঁঝ বাড়ে।  

    সংঘের ‘বারমুডা’ ট্রায়াঙ্গলেই আছে নারীবিদ্বেষ

    বারমুডা পরা খারাপ কিছু নয়, তবে সেটা মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল।  

    ক্লাস এইটের ইতিহাস বইয়ের সমস্যা

    সিঙ্গুরে মাস্টারমশাই সত্যিই তো ইতিহাস যে তালগোল পাকিয়ে দিলেন একেবারে।  

    দুরন্ত ঘূর্ণির এই লেগেছে পাক!

    পৃথিবী, শূকর, গোরু, রাজনীতি, সবাই স্ব স্ব খুঁটি ধরে বনবন ঘুরছে।  

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে ‘খেলা’ শেখা জরুরি!

    বাঙালিকে রবীন্দ্র-কবিতা না শুনিয়ে, প্রধানমন্ত্রী ‘খেলা’র মন্ত্র শেখালে জাতির উপকার হতে পারে!  

    বঙ্গীয় দাদা একুশে দাদা-জ্বি হলেন!

    দাদাজ্বি ভাইপোকে 'ভাতিজা', পিসিকে 'বুয়া', সরস্বতী পুজোকে 'বাসন্তী পুজো' বলেন!  

    জয় কিষান কনভার্টেড টু জয় শ্রী রাম

    ‘আসিতেছে বিপদের দিন, চাষিরা করিতেছে হম্বিতম্বি, চোখ রাঙাইছে চিন!’  

    মডেল নিয়ে ধুন্ধুমার!

    কুচক্রীরা সারাক্ষণ গুজরাত মডেলকে গাল পাড়লেই বা, উন্নয়ন বলতে দেশবাসী তো গুজরাতকেই বোঝে!  

    রেল লাইনে ঝাঁপ করোনার

    এটাই হেডলাইন। সঙ্গে পাওয়া গেছে এই সুইসাইডের একজন প্রত্যক্ষদর্শী আর একটা চিরকূট।   

    যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব: বদ্দা

    আমিও তোমায় অভিশাপ দিচ্ছি, ঢপেন্দ্র ছোদ্দা, তুমিও 56-র গেরোয় আটকে যাবে বারবার।  

    দুর্গা এবং তাঁর মর্ত্যবাহিনী

    দুর্গা বুকের ছাতি প্রদর্শনকারী বলদর্পী এই ছলনায়কের নাম দিয়েছেন নরাসুর আমোদী। বা সংক্ষেপে নদো।  

    যে দেশে সেক্যুলার হল গাল, আর ভেগান হল বাঘ

    এ দেশে যারা এখনও হিন্দু-মুসলিম মিলনের কথা বলে তারাই সিকিউলার। এটা সেক্যুলারের অপভ্রংশ রূপ।  

    অ্যাসিড বাল্বে পঙ্গু প্রীতম, গণধর্ষণে অভিযুক্তরা মুক্ত

    যারা গণধর্ষণে অভিযুক্ত, যারা দু’ জন মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলার উপক্রম করেছিল, তারা জামিন পায় কী ভাবে?  

    তোমরা চাষা, আর আমি বেচু খাসা

    মানুষজন হঠাৎই আবার আন্দোলনমুখী হয়ে পড়েছে যে। তোমাদের আফিমে তা হলে কাজ হচ্ছে না বলতে হবে।  

    গোমূত্র নেগেটিভ, করোনা পজিটিভ!

    উনি তো পুজো-আচ্চা করেন, প্রদীপ জ্বালান, গোমূত্রও খেয়েছেন, ওঁকে করোনা ধরবে না।  

    যত্ত সব মাকড়ার দল!

    দেশের প্রধান সেবকের অনুগামীর সঙ্গে এমন চরম বালখিল্য আচরণ মানা যায়?  

    দাড়ির সমানুপাতিক, জিডিপি পতনের ব্যস্তানুপাতিক!

    ঈশ্বরী পাটনি কি মা অন্নপূর্ণার কাছে দুধভাতের আবদার না জুড়ে ফুটেজের আবদার জুড়েছিলেন?  

    যোগীর পুলিশ রসবোধে টইটম্বুর

    একশো শতাংশ খাঁটি সোনার মতো রাজ্যের পুলিশের নামে এমন দুষ্টু দুষ্টু খেলা সহ্য হয়!  

    ভার্চুয়াল দুনিয়ার ফুটেজময় খাপ পঞ্চায়েত

    আরে বাবা এ গ্রাম পঞ্চায়েত না। এটা খাপ পঞ্চায়েত। এখানে কেউ দুষ্টুমি করলেই বিচার হয়।  

    ১৩০ কোটি কোথায়! সব টুকরোয় ভাঙা

    যারা প্রদেশের নামে, ভাষায় নামে, জাতের নামে, বর্ণের নামে, ধর্মের নামে, এমনকী পছন্দের খেলোয়াড়ের নামেও  

    নতুন ভারত: পার্থ-পার্থসারথি আলাপন পর্ব

    আমাদের 70 লক্ষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। তাই, আমরা যে কোনও মিথ্যা খবরকে সত্য করতে পারি  

    ও ডাক্তার... ও ডাক্তার

    এই লেখা সেই সব ব্যক্তিদের জন্য যাঁরা এই পেশাকে প্রতিদিন চরম অপমান করে চলেছেন।  

    হাসপাতাল দিয়ে কী হবে! মন্দির চাই মন্দির

    দাদা তো ঠিকই বলেছে। হাসপাতাল বানিয়ে কী হবে? তার চেয়ে মোড়ে মোড়ে মন্দির বানালে এ দেশের কোনও অমঙ্গল হ  

    চাকরি নেই তো কী! মন্দির তো আছে

    চাকরি নেই তো কী! মন্দির তো আছে। ওই গানটার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়...  

    রেল-কয়লা-জাহাজ-পেট্রোলিয়াম-LIC বিক্রি আছে-ইয়াই

    রেল-কয়লা-জাহাজ-পেট্রোলিয়াম-LIC বিক্রি আছে-ইয়াই, সবকা সাথ সবকা বিকাশ দুবে বিক্রি আছে-ইয়াই  

    স্যানিটাইজারে GST! এ বার পাকিস্তান শেষ

    ফকিরের মতো মানুষটা কবেই বলে রেখেছে, আরে ফকির আদমি হুঁ, ঝোলা উঠাকে চল দেঙ্গে।  

    ভিআইপি-কে বেশি আইন দেখালে এ অবস্থাই হয়

    মন্ত্রীর ছেলে বলে কথা! আরে সে সব না দেখুন, অন্তত নিজের পদমর্যাদাটা তো দেখবেন।  

    নেপোই তো দই মারবে! রামের যুগেই মেরেছে, এ তো ঘোর কলি!

    প্রাচীন মহাকাব্যেই দেখুন না। নীতিবাক্য, স্তোকবাক্য, ধর্মযুদ্ধের আড়ালেও সেই নেপোটিজমই তো লুকিয়ে রয়েছে  

    যে করেই হোক টিকা চাই, নইলে যাবে মান

    রাজ-ওঝার কথায় অনেক কিছু করেছেন তিনি। বাসনপত্র বাজিয়েছেন। প্রদীপ-মশাল জ্বেলে অদৃশ্যে দেবতার আরতিও করে  

    বাড়ছে GDP, ভক্তগণ বাজাও তালি

    লেপ্টারু ইন্টেলেকচুয়ালদের নিয়ে এই হয়েছে সমস্যা। ভাঙবে তবু মচকাবে না। খালি বলে, কোথায় বাড়ল GDP!  

    সবার পকেটে চিন, তাক ধিনা ধিন্ ধিন্

    আন্দোলনও হল, আবার চিনকে রামচিমটিও দেওয়া হল। বেশি কথা বলতে এলে পরিষ্কার বলে দাও, আমরা তোদের পকেটে নিয়  

    ন্যাতার মতো ন্যাতা বটেক!

    ভাল করে বাংলা না বলেও বাংলার মানুষের জন্য প্রাণ কেঁদে ওঠে যাঁর, সেই ঘোষবাবু বদলের সঙ্গে বদলার স্বপ্ন  

    ‘যোগ’বলে ছ'বছর আগেই জানা ছিল করোনা আসছে!

    এমনিতেই মোদীবাবুর গুণের শেষ নেই। এত গুণের সঙ্গে তিনি কি ভবিষ্যৎদ্রষ্টাও?  

    মনের কতা শুধু বলেই গেলি, শুনলি নে: ঠাকুর

    দরজা খোলার শব্দে ঘোর থেকে বেরিয়ে এলেন ঠাকুর। ‘কে এলি, রিদে নাকি?’ উত্তর এল, ‘মিত্রোঁওওওও, আমি নরেন'  

    চপারোঁ ফুল বরসাও...

    অসহায় চোখে ওরা দেখছিল আর ভাবছিল, যদি ফুলের পাপড়ির বদলে ওগুলো রুটি, বাতাসা, মুড়ি, মিষ্টি হত, তবে...  

    অপমানিত বালক বৃদ্ধ হইলেন!

    অপমানের তো শেষ থাকিবে! কোনও উপায়ে অপমান কমানো তো গেলই না, বরং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাইতে লাগিল।  

    পূর্ণিমার চাঁদ ওদের কাছে ঝলসানো রুটিই

    আমরা হয়তো দেখতে পাইনি, কিন্তু এই অভুক্ত মানুষগুলো গোলাপি চাঁদকে একটা গোটা রুটিই দেখেছে।  

    মুখে ‘জয় শ্রী রাম’, মনে মধ্যযুগ

    দেশে ভূতের সংখ্যা কম নেই, তাদের মুখে রাম নামেরও বিরাম নেই। এমন পরিস্থিতিতে রামায়ণই আদর্শ ধারাবাহিক।  

    রামায়ণের চেয়ে বরং সাহির লুধিয়ানভির কীর্তন শুনব

    সত্যি এবারে চৈত্র বড়ই অবহেলায় গেল।  

    ‘মিত্রোঁ আপ নিউমেরোলজি সমঝিয়ে...’

    মাননীয় হঠাৎ আটের আস্ফালন ছেড়ে ৯-এর ঘাড়ে চড়ে বসলেন কেন? কারণ নিশ্চয়ই আছে।  

    পুলিশের লাঠিতেই করোনার KILL-বিল

    রাস্তায় গাড়ি নেই, রাতে লরি নেই, ঝনঝন খুচরো নেই, খ্যাকানোর লোক নেই। এরা কী করবে বলুন তো?  

    গোমূত্র-বিলাসিরা নিশ্চিন্ত, তাদের ৩৩ কোটি রক্ষক আছে!

    গরুর পেছনে গ্লাস নিয়ে ঘোরা মহাপুরুষদের মুখে বাণী নেই। কষ্টে প্রাণটা ফেটে যাচ্ছে।  

    কিছু না পারলে একদান লুডোই খেলুন

    পোধানমন্তীর ডাকে সাড়া দিয়ে ঘটি-বাটি-খোল-করতাল-কাশি-বাঁশি সব নিয়ে দলবল-সহ বেরিয়ে পড়েছিলেন রাস্তায়।  

    ঘুম দিবসে ঘুম নিয়ে দু’ চার কথা

    এঁরা ঘুমের সুযোগ পান না এ কথা তাঁদের অতি বড় বন্ধু বা সমর্থকও বলতে পারবেন না। কিন্তু সুযোগ থাকা সত্ত  

    এই ধর্ষণ আর কত দিন? প্রশ্ন অমিতের

    টানা কয়েক দিন গুমরে থাকার পর বাবার সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ল অমিত।  

    গাহি সাম্যের gun, যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে হোমো সাপিয়েন্স- হনুমান

    গদ্দারদের সঙ্গে কিভাবে ট্রিট করা হয়, তার একটা নমুনা দেখানো হয়েছিল ৩০শে জানুয়ারি, ১৯৪৮-এ।  

    একদম ঠিক, দেশের ‘গদ্দার’দের গুলি মারুন

    দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, তাদের তো গুলি করেই মারা উচিত, তাই না?  

    চরম সঙ্কটে মশারা, এখন কার রক্ত খাবে!

    খাদ্য-খাদক সম্পর্ক না থাকলেও যে এ ভাবে অন্য প্রজাতির খাবার লোপাট করা যায়, তা দিল্লি গেলে বুঝবেন।  

    আরে মাটি লাও... করোনা ভাইরাসের মূর্তি হবে

    তা হিন্দু মহাসভা তো চিনে ফেলেছে। আপনারা সব চিনেছেন তো? মড়ক তাদের আরাধ্য দেবতা। পুজো হবে লাড্ডু আসবে  

    CAA ঠিক, NRC-ও ঠিক; বাকি সব দেশদ্রোহ

    ওহঃ, একজন পুরুষ বটে! না, তিনি পুরুষ নন, মহাপুরুষ। না হলে এমন কথামৃত মুখ থেকে বার হয়?  

    চা থেকে পরীক্ষা! চর্চা জুড়ে “মাননীয়”-র বন্দনা

    এ বারের বক্তিমে “ছাত্রোঁ কে লিয়ে”। ওই “মিত্রোঁ”বলতে গিয়ে ছাত্রোঁ বলে ফেলেছেন। তা বলে ফেলেছেন যখন, তখ  

    CAA Protest: গ্যাং নেই, আছে গ্যাং নিয়ে রাজনীতি

    'টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং'। কারা এই গ্যাং-এর সদস্য? কোথা থেকে তাদের উৎপত্তি? জবাব মিলল?  

    'লক্ষ্মণ মন্দির' না হলে, তিনি সোজা যাবেন মর্তের রাজদরবারে।

    রামায়ণের যুগের পরও দু-দুটো যুগ চলে গেল, মানুষ এখনোও বলবেন অযোধ্যা কিনা 'রামলালা'র একার?  

    বাবু, দেখতে পাচ্ছো, সোনার কেল্লা

    তারপর থেকে নরোত্তম সকল বাসিন্দার কাছে গিয়ে একটা কথাই বলেন, ‘বাবু... দেখতে পাচ্ছো, সোনার কেল্লা।’  

      Subscribe to our notification

      Click to Send Notification button to get the latest news, updates (No email required).

      Not Interested